আসন্ন যুব এশিয়া কাপকে সামনে রেখে সিলেটে সংক্ষিপ্ত কিন্তু নিবিড় প্রস্তুতি নিয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। সেই প্রস্তুতি ক্যাম্পকে ‘ফলপ্রসূ’ আখ্যা দিয়েছেন দলের প্রধান কোচ নাভিদ নেওয়াজ। মঙ্গলবার মিরপুরে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, সময় কম থাকলেও প্রয়োজনীয় সবকিছুই সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।
নাভিদ বলেন, খেলোয়াড়রা টানা ক্রিকেটে ব্যস্ত থাকায় ক্যাম্পটি ছোট রাখা হয়েছিল। “আমরা সংকুচিত একটি ক্যাম্প করেছি, কারণ ছেলেরা এই সময়ে অনেক ম্যাচ খেলছে। তবুও পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু করতে পেরেছি,” মন্তব্য তাঁর।
ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে অতিরিক্ত চাপ আছে কি না—এমন প্রশ্নে কোচ বিষয়টি হালকাভাবে নেন। তাঁর ভাষায়, “এটা আরেকটা টুর্নামেন্ট মাত্র। যেদিন যে দল ভালো খেলবে, সেদিন তারাই জিতবে। আমরা খেলোয়াড়দের বলেছি নিজেদের প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে। ক্রিকেটটা উপভোগ করাই সবচেয়ে জরুরি।”
দলের ভেতরের কাজের সংস্কৃতির দিকেও নজর দিয়েছেন তিনি। খেলোয়াড়দের মধ্যে পারস্পরিক সহায়তা, সাফল্য ভাগাভাগি আর চাপের মুহূর্ত সামলানোর সক্ষমতাই এই টুর্নামেন্টে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন নাভিদ। “টানা ১০–১২ দিন সবাই যেন একত্রে কাজ করতে পারে—এটাই মূল লক্ষ্য,” বলেন তিনি।
এদিন দেবাশীষের জায়গায় জীবনকে দলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন কোচ। নাভিদের ভাষায়, “মূল ভাবনা ছিল—দেবাশীষের পরিবর্তে জীবনকে নেওয়া। জীবন বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা নিয়ে এসেছে, আর সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চেয়েছি। এনসিএলসহ ঘরোয়া ক্রিকেটেও তাকে পর্যাপ্ত সুযোগ দেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও যোগ করেন, দলের অলরাউন্ডার পজিশনে নতুন সমাধান দরকার ছিল। “দেবাশীষ সময় সময় ভালো করেছে। তবে তুলনামূলকভাবে এই জায়গায় জীবন আমাদের জন্য আরও উপযোগী মনে হয়েছে,” বলেন নাভিদ।