সাইবার বুলিং এবং প্রতিবাদের সংস্কৃতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন ছোট পর্দার পরিচিত মুখ খায়রুল বাশার। সম্প্রতি এক আলাপচারিতায় তিনি বলেন, সমাজে হাতে গোনা কয়েকজন আওয়াজ তুললেও বৃহত্তর অংশ উদাসীন থাকায় প্রতিবাদ কার্যকর হয়ে ওঠে না। ব্যক্তিগত জীবনে সংকট না নামলে অধিকাংশ মানুষ প্রতিবাদে যুক্ত হতে চান না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বাশার বলেন, যাঁরা প্রতিবাদ করছেন, তাঁদের দেখে অনেকেই প্রশংসা করেন ঠিকই, কিন্তু নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেন না। “আমরা দেখি—হ্যাঁ, উনি প্রতিবাদ করছেন—কিন্তু আমরা নিজেরা প্রতিবাদী হই না,” মন্তব্য তাঁর।
তাঁর মতে, তিন-চারজন মিলে আওয়াজ তুললে সেটাকে প্রকৃত প্রতিবাদ বলা যায় না। বরং সমাজের মানুষ সেটিকে সমর্থন করছে কি না, গুরুত্ব বুঝছে কি না এবং অন্যায়ের শিকার ব্যক্তির পাশে দাঁড়াচ্ছে কি না—এটাই বেশি জরুরি।
পাশাপাশি পারিবারিক এক প্রবাদ টেনে বাশার বলেন, “আমার দাদু বলতেন, ‘বেনি পুড়তে পুড়তে যখন আগুনটা লাগে, তখনই আমরা কথা বলি।’ আমাদের সমাজেও অনেক সময় একই চিত্র দেখা যায়—সমস্যা চরমে না উঠলে কেউ গুরুত্ব দেয় না।”
তিনি আরও আক্ষেপ করে বলেন, দেশে কোনো অন্যায় হচ্ছে কি না, কেউ নির্যাতিত হচ্ছে কি না—এসব নিরপেক্ষভাবে বিচার করা হয় না। যিনি ভুক্তভোগী, তাঁর কথার সত্যতা বোঝার চেষ্টাও অনেকে করেন না। “যেহেতু তার ওপর অন্যায় হচ্ছে, তার কথাকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত—কিন্তু আমরা তা করি না,” মন্তব্য তাঁর।